1. webprominhaz@gmail.com : Admin :
  2. Aktar@gmail.com : AKTAR hosen : AKTAR hosen
  3. amirbinsultan95@gmail.com : Amirbin Sultan : Amirbin Sultan
বিজ্ঞপ্তি :
  • পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
শিরোনাম :
কক্সবাজার জেলার কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মনোনীত হলেন পুসাহ’র উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত | দৈনিক জাগ্রত বিবেক ঢাকাস্থ বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির ১ লাখ টাকা অনুদান তাকওয়া ফাউন্ডেশন বরুড়া উপজেলা শাখার লাশ দাফন টিম ২ এর ৩৫ তম গোসল কাফন জানাজা দাফন সম্পন্ন। আত্মপরিচয় ও আমাদের হীনমন্যতা | মুহাম্মদ রমিজ উদ্দীন টর্নেডো ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা ওরাই আপনজন সংগঠন | দৈনিক জাগ্রত বিবেক সমাজ সংস্কার-৩য় পর্ব | আব্দুল আজিজ অপসংস্কৃতি রোধে চাই সম্মিলিত প্রয়াস: মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন | জাগ্রত বিবেক কী পড়বো? তোফায়েল গাজালি | জাগ্রত বিবেক কৃতিত্বের মানদণ্ডে শেখা না কি শেখানো: রমিজ উদ্দিন

সমাজ সংস্কার-৩য় পর্ব | আব্দুল আজিজ

  • আপডেট টাইম : Thursday, July 1, 2021
  • 56 বার পড়া হয়েছে

সমাজ সংস্কার পর্ব

হতাশা বোধ আমাদেরকে ভয়ার্ত নিরুপায় করে তোলে।

আমরা ভাবতে শুরু করি আহ-হা-রে আমি এখন কমন করবো ?
এভাবে ভেঙ্গে পরা একদম উচিত নয়।
যেমন ধরুন আপনি বাজারে গেছেন, কোন কাজে খেতে খামারে গেছেন। বা গেছেন গান বাজনা যাত্রাপালা বা ভ্রমন মোট কথা যে কোন কারনেই আপনি বাড়ির বাইরে গেছেন। কিন্তু ভিজে গেছেন বৃষ্টিতে, পুরোটাই ভিজে গেছেন। তো আপনার গায়ের ভিঁছে পোষাক তো বদল করতে হবে।

এখন আপনি যদি কাঁদতে কাঁদতে হুশ হারিয়ে ফেলেন এই ভেবে যে হায়রে আমি ভিজে গেলাম ক‍্যান ? এখন আমার কি হবে গো ?
তাহলে কি আপনার ভিঁজে পোষাক বদল হয়ে যাবে ?
যাবে না।
উপরন্ত আপনার পোষাক আপনাকেই বদল করতে হবে।
ঠিক একই ভাবে যেকোন বিপদে যদি আমরা হতাশ হয়ে যাই তাহলে আমাদের বিপদ কেটে যাবে না। হতেপারে বিপদ আরো বাড়বে।

যেমন ধরুন আপনার অনেক আদরের বিড়াল ঘরে ভেজে রাখা ভাজা মাছ খেয়ে ফেলেছে। আপনিও রাগের মাথায় কষে ওর মাথায় আঘাত করলেন। তাৎক্ষণিক বিড়াল দৌড়ে পালালো তবে পরে দেখলেন চৌকির নিচে মরে পরে আছে।
তখন আপনি যদি হতাশ হয়ে বসেই থাকেন যে আহ হা বিড়ালটা এতো জোড়ে ক‍্যান মারলাম। এখন আমি কি করবো ?
এই কি করবোর হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে বসে থাকলে ওটা পঁচবে পরে দুর্গন্ধ ছড়াবে।
তার চেয়ে ভালো আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ওটাকে মাটির ভিতর পুতে রাখতে হবে।

একইভাবে আমাদের জীবনের যত ভুলত্রুটি আছে তা খুঁজে খুঁজে বেরকরে আমাদেরকেই শুধরাতে হবে।

সমাজে কিছু মানুষ আছে তারা অযথাই হাসি রহস‍্যের মথ‍্যে গালাগাল করবে। ভাবনাটা এমন আরে ওতে আর কি হবে ?
আপনি কখনো ভেবে দেখেছেন পান চিবুতে চিবুতে পানের পিক ফেলতে যেয়ে কারন বসত আপনার নিজের পোষাকেই লেগে গেছে এখন সে দাগ কি সহজে উঠবে ?
অথবা চা পান করার সময় হঠাৎ চায়ের দাগ আপনার পোষাকে লেগে গেলে, সে দাগ সহজে উঠবে ?
এসব দেখে কি ভাবা যায় না ?
গালিগলাজ করলে আমার জবানে আমার কথায় আমার চরিত্রে দাগ পরে যাবে যে দাগটি আমি দেখি না। সে দাগ আমি মুছবো কি করে ?
সহজেই ভাবতে পারেন গালি মুখ থেকে বের হওয়া একটি দুটি শব্দ এতে সমস‍্যা কোথায় ?
হ‍্যাঁ, ঠিক এখানেই আমরা লাইনচ্যুত হয়েছি। এখানেই আমরা পরাজয়ের পথে চলেগেছি। এখানেই আমরা জীবনের কাছে ধিরে ধিরে হেরে যাচ্ছি।

কারনটা সহজ যাকে উদ্দেশ্য করে গালি গলাজ করলাম সে আমার রহস‍্য সহজে না-ও তো নিতে পারে ? হয়তো কথা বলবে না। কিন্তু মনে মনে কষ্ট পাবে।
অথবা তার পাশের কেহ শুনে আফসোস করতে লাগলো ইসসস লোকটার ভাষা এতো খারাপ ?
এতে করে আজ আপনি হয়তো রহস‍্যের গালিগলাজ বাতাসে উড়িয়ে চলে গেলেন।
কিন্তু হতেও তো পারে সামনের কোন এক সময় আপনার কোন কাজের খুব দরকার। কিন্তু আপনার আজকের বন্ধুরা ইচ্ছে করলেই আপনাকে তাদের সাথে কাজে নিতে পারে। কিন্তু আপনার এই রহস‍্যের গালিগলাজ সেদিন দেয়াল হয়ে দাড়াবে।
এই ভেবে নাহ উনাকে আমাদের সভ‍্য সমাজে আনা যাবে না। উনি রহস‍্য বসত অনেক মুখ খারাপ করে। আনলে শেষে এখানে আমরা লজ্জিত হবো।
ফল হলো আপনি ঝামেলাতেই থেকে গেলেন। আপনার এই রহস‍্য আপনাকে উন্নতির পথ রুদ্ধ করে দিল।
এ তো হলো দুনিয়ার সমস‍্যার কথা।

যদি আল্লাহ্কে মেনে ঈমান নিয়ে ভাবেন তাহলে আরেকটু গভীরে ভাবতে হবে।
যে কোন একটা বিষয় নিয়েই ভাবেন।
যেমন আপনার জন‍্য পোষাক তৈরী
আপনার আবাসন বলতে বাড়ির ঘর বা ভবন।
অথবা গৃহপালিত পশু ইত‍্যাদি ইত‍্যাদি।
যেকোন একটি বিষয়। ধরুন বাড়ির গবাদি পশু ছাগল ষাঁড় বা গাভী আপনি পালন করছেন। কিন্তু কেন করছেন ? দু-কড়ি
অর্থ প্রপ্তীর জন‍্য।
আর এর পিছনে আপনার অর্থ,সময় সব দিয়েই যত্ন করছেন উপযোগী করার জন‍্য। কিন্তু দেখা গেল আশাঅনুরুপ ষাড়টি বাড়লো না। গাভী পর্যাপ্ত দুধ দিলো না।
তখন আপনার মন অবশ‍্যই খারাপ হতে পারে।
আমাদের শ্রমের ফল ঠিকমত না পেলে আমাদের যেমন মন খারাপ হতে পারে, তেমনি আমার আপনার স্রষ্টা যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন আমাদের প্রতি কি সে মহান মহিয়ানের কোন চাওয়া পাওয়াই নেই ?
অবশ্যই অবশ্যই আছে। তবে আমার আপনার রবের চাওয়া পাওয়া সবটাই আপনার আমার উপকারের জন‍্য।
যে করে মশা তাড়াতে গোয়াল ঘরে মশারি টানিয়ে গবাদিদের মশা থেকে রক্ষার চেষ্টা করেছেন ?
সকাল বিকাল তৃণ কুড়া ভুসি পানি দিয়ে ক্ষুধা শরীরের পানির ঘাটতি বা গলার তৃষ্টা মিটিয়েছেন।
ঠিক তদরুপ আমাদের মহান স্রষ্টা আমাদের শ্রমকে আমাদের জন‍্যেই কাজে লাগিয়েছেন।

আমরা জমিতে বীজ ফেলতেছি।
ফেলতেছি এ জন‍্য বললাম,
বাড়িতে যখন কবুতর হাঁস মুরগির খাবার দিই তখন তো শ্রেফ ছিঁটকেই ফেলি ওরা খেয়ে নেয়।
জমির বীজ অনেকটা ঐ ভাবেই জমিতে ছিঁটিয়ে দেই। কিন্তু আপনার আমার রব তা সকল ধরনের পশু পাখি কীট পতঙ্গ থেকে রক্ষা করে। শুধু কি রক্ষাই করে, সে বীজ থেকে গাছ জন্মায় ফসল হয়।
আমরা সে ফসল থেকে অনেক অনেক টাকা পাই। যে টাকা আমাদের জীবনের উৎস হিসেবে কাজে দেয়।
ভালো খাবার ভালো পোষাক ভালো বাড়ি কততো কি করি।

তবে এখানে সবচেয়ে কষ্টের কথা হলো। আল্লাহর জমি আল্লাহর দেয়া ধন সম্পদ থেকে আমরা মুনাফা সংগ্রহ করি কিন্তু সে আল্লাহর সন্তুষ্টি নিয়ে আমরা গাফেল।
আল্লাহর দেয়া সম্পদ দিয়ে আল্লাহর নারাজের নিষিদ্ধ কত কাজ আমরা করি।

তারপরও কি কখনো এমন হয়েছে ? রব্বে-কারীম
আমাদের আহার দেন নি ?
জমির ফসল দেন নি ?
গাছের ফল দেন নি ?
জেলের জালে মাছ দেন নি ?
দোকানে বেচাকেনা দেন নি ?
আল্লাহ্ আমাদের সব দিয়েছেন এবং এখনো দিচ্ছেন। তারপরেও কেন সে আল্লাহকে সিজদা দিতে আমাদের এত অনিহা ?
আমরা আল্লাহর কোরআন পড়তে নারাজ
কোরআন মানতে নারাজ।
এখান থেকে আমাদের সরে কোরআনের পথেই আসতে হবে।
আমরা যারা আম জনতা।
যারা এখন সংসারজীবন যাপন করছি।
হাতে বিস্তর সময় নেই, তাদেরকে যে করেই হোক মসজিদ মুখি হতে হবে।
এতে করে মনকে যেভাবেই হোক বুঝাতে হবে , আমি আল্লাহ্ থেকে প্রেরিত এবং আল্লাহর কাছেই ফিরতে হবে। সুতরাং আমি যেন আল্লাহর কাছে লজ্জিত না হই সে মোতাবেক আমাকে চলতে হবে।
আর এ জন‍্য যা করনীয় আমাকেই করতে হবে।
সমাজের আল্লাহ্ বিমুক্ষতা থেকে সবাইকে-ই তো ফিরতে হবে।
আমি-ই না হয় শুরু করলাম।

তবেই কাঙ্খিত বস্তু পেতে পারবো।

ঠিক তেমনি আল্লাহকে পেতে হলে ঈমান মজবুত হতে হবে। ঈমানের পূর্ণতা না থাকলে আল্লাহ্ কে পাওয়া যাবে না।

আল্লাহকে না পেলে গুনাহ্গার হিসেবে জাহান্নাম অবধারিত।

তাই সমাজের অবক্ষয় রুখতে হলে সমাজের সব ধরনের ঘৃনিত কাজ রোধ করতে হলে।
সমাজের মানুষ গুলিকে আগে বদলাতে হবে।
আপনি আমি ঐ সমাজেরই একজন।
তাই নিজেকে দিয়েই না হয় বদলের শুরু করি।
মসজিদে নামাজে যাব
হুজুরদের কাছ থেকে নামাজ ফরয সুন্নত অয়াজিব মোস্তাহাব সব ধিরে ধিরে শিখে নেব।
নবিজী বলে গেছেন।
সমাজ সুন্দরের জন‍্য আগে নিজে সুন্দর হতে হবে।

আমরা ভুলের মধ‍্যে থেকে থেকে অন‍্যের খারাপ নিয়ে তুলনা করতে অভ‍্যস্ত।
যেমন আরে শুনলাম সে না কি হাজী সেও তো ঠিকমত নামাজ পরে না।
শুনলাম সে আগে মাদ্রাসার হুজুর ছিলো, তার স্ত্রীও তো ছাগলের রশি ধরে টানতে টানতে খেতে যায়। তখন মাথা দুর বুকের কাপরও বুকে থাকে না কত সময়।
আসলে আগের মানুষ অনেক কিছু জানতো না তাই তাই অমন জীবন যাপন করেছে। এখন মানুষে অনেক অনেক কিছু জানে। নামাজ বলো পর্দা বলো সম্ভবত তেমন জরুরি না।

ভুল
সব ভুল।

কারন সূরাতুল ফাতিহার শেষ আয়াত দেখেন।
বিসমিল্লাহ – গয়িরিল মাগ-দুবি আ-লাইহিম অলাদ দোঅঅঅলীন।
এর তফসির হলো তাদের (পথ) নয় যাদের উপর অভিশাপ দেওয়া হয়েছে। তাদের (পথ ও না ) যারা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে।
তাহলে কি দাড়ালো ?
কে মাথায় কাপর দিল বা দিল না।
কে বুকে কাপর রাখলো বা রাখলো না
কে ঘরে পর্দায় থাকলো বা থাকলো না।
সেটা কখনোই মূখ‍্য নয়।
আপনি আমি নিজে কতটুকু জানতে বা শিখতে পেরেছি, কতটুকু আমল করথে পেরেছি। সেইটাই মুখ‍্য বিষয়।

কয়েক বছর আগে বাহরাইন সরকার শরীর ফিটিং টাইট বোরখা নিষিদ্ধ করেছিলো। কারন জেনেছিলাম এমন শরীর ফিটিং বোরখা শরীরকে আবৃত করে কিন্তু শরীরের গঠন প্রায় পুরোপুরি ভাবেই দৃশ‍্যমান হয়।
যে বোরখা দ্বারা শরীরের গঠন ঢেকে রাখা দরকার সে বোরখা দ্বারা শরীরের অঙ্গ-প্রতঙ্গ দৃশ‍্যমান হল%

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Amir Hossen
Customized BY NewsTheme