1. webprominhaz@gmail.com : Admin :
  2. Aktar@gmail.com : AKTAR hosen : AKTAR hosen
  3. amirbinsultan95@gmail.com : Amirbin Sultan : Amirbin Sultan
বিজ্ঞপ্তি :
  • পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
শিরোনাম :
কক্সবাজার জেলার কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মনোনীত হলেন পুসাহ’র উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত | দৈনিক জাগ্রত বিবেক ঢাকাস্থ বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির ১ লাখ টাকা অনুদান তাকওয়া ফাউন্ডেশন বরুড়া উপজেলা শাখার লাশ দাফন টিম ২ এর ৩৫ তম গোসল কাফন জানাজা দাফন সম্পন্ন। আত্মপরিচয় ও আমাদের হীনমন্যতা | মুহাম্মদ রমিজ উদ্দীন টর্নেডো ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা ওরাই আপনজন সংগঠন | দৈনিক জাগ্রত বিবেক সমাজ সংস্কার-৩য় পর্ব | আব্দুল আজিজ অপসংস্কৃতি রোধে চাই সম্মিলিত প্রয়াস: মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন | জাগ্রত বিবেক কী পড়বো? তোফায়েল গাজালি | জাগ্রত বিবেক কৃতিত্বের মানদণ্ডে শেখা না কি শেখানো: রমিজ উদ্দিন

দোষ কি ছিলো মাওলানা ইকবাল হোসাইন এর জানুন -আব্দুল আজিজ

  • আপডেট টাইম : Friday, May 21, 2021
  • 119 বার পড়া হয়েছে

 

প্রথম আলো সাংবাদিক জনাবা রোজিনা ইসলাম সচিবালয়ে পাঁচ ঘন্টা অবরুদ্ধ। কেহ বলছেন সেখানে সে নির্যাতিত। কেহ বলছেন সেখানে শুধু একটু হাতাহাতি হয়েছে।
তবে যাইহোক কিছু একটা তো হয়েছে ।
কিন্তু রাষ্ট্রের প্রানকেন্দ্র সচিবালয় কি আদৌ কোন হাতাহাতি নির্যাতন বা কাউকে অবরুদ্ধ করার মতো যায়গা ??
আমার জানামতে সচিবালয় মোটেই এসবের যায়গা না। কিন্তু কেন এমন হলো ?
সে প্রশ্ন রাখা যাবে কি না তা আমার জ্ঞাতব‍্যের বাইরে। কেননা আজকাল কোন নতুন আইন বা অধ‍্যাদেশ জারীর সংবাদ তেমন ফলাও প্রচার না হলেও কাউকে না কাউকে গ্রেফতার করার পর সে অধ‍্যাদেশ বেশ দারুন ভাবে প্রচার হয়।
এ যেন ঘুঁ ঘুঁ ধরা ফাঁদের মতো। ঘুঁ ঘুঁ ধরা পরার পর জানতে পারে কোন ফাঁদে সে ধরা পরলো।
যখন আর তার সতর্ক থাকা না থাকা সমান।
তবে নৈশ ভোটের রিপোর্টার যখন বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ট হয়েছে বলে সংবাদ তৈরি করে সে সাংবাদিক হঠাৎ করে সাস্থ‍্যখাত নিয়ে সংবাদ লিখে আধা বয়সে হেস্ত-ন‍্যাস্ত হন। তখন কেন বলা যায় না, ডাল মে কুচ কালা হে ?
দেশের অন্তর সিন্দুক রিজার্ভ থেকে হাজার
হাজার কোটি টাকা লোপাট হওয়ার পর সাস্থ‍্যখাতে এমন কি আহা মরি দুর্নীতি হয়ে গেল?
যার সংবাদ সংগ্রহের জন‍্য তাকে হেনস্তা হতে হলো?
না, আমি প্রশ্ন করছি না। করব-ও না।
কেননা,
দেশের ষোল বা সতের কোটি জনতা যখন ত্রিশ টাকার চাওল পঞ্চাশ টাকা থেকে ষাট টাকায়, সয়াবিন তেল একশত পঁচিশ টাকা লিটার কিনে খেতে পারে। তখন আমার একার মাথা ব‍্যাথা হবে কেন?

তবে একটু একটু জ্বলে। যখন করোনার নাম করে লকডাউন দিয়ে বাস বন্ধ লঞ্চ বন্ধ করে দেয়। আর ফেরিঘাটে হাজার মানুষ জমা হলে দুই থেকে তিন হাজার যাত্রী নিয়ে ফেরি পার হয়ে হিট স্টোকে মানুষ মারা প্রর্যন্ত যায়। তখন দেশের নাগরিক হিসেবে একটু পরাণ কেঁপে উঠে। হায়রে কে নিবে দায় এই অসহায়ত্বের ?
যখন লকডাউন তখন শহর থেকে ফেরিঘাটে হাজার মানুষ জমা হয় কিভাবে ? আকাশ থেকে কি বৃষ্টির মতো ঝরে পরেছে ? না ছোট ছোট কোন যান বা মটর বাইক কোন না কোন পন্থায় তো লোক গুলো এসেছে। তখন কেন এই জনস্রোত থামানো গেল না ?
এখন পুলিশ কোথায়?
ঢাকায়, সিলেটে বা ইপিজেডে যখন কোন দাবী নিয়ে কেহ রাস্তায় নামে, হোক ছাত্র জনতা বা আলেম সমাজ বা শ্রমিক বা যে-ই হোক না কেন তখন তো পুলিশের অভাব হয় না।
এখন পুলিশের এত অভাব শহর থেকে ঘর মুখি মানুষ ফেরানো গেল না।
তবে কোন লকডাউন ঘোষনা করা হলো যা জনগন গ্রহন করলো না।
যখন কোন ঘটনার মুখোস জনগনের সামনে খুলে যায় তখন মুখোস ধারণকারীর যেমন কিছু বলার থাকে না। তেমন মুখোস উন্মোচনকারীর কিছু করার থাকে না। কারন রানীর ঘোরা বলে কথা। যে ঘোড়ায় ল‍্যাং মারলে দোষ থাকে না।

ভারতের মতো হিন্দু রাষ্ট্র যেখানে রমজান মাসে প্রতিদিন প্রায় তিন হাজারের উপরে লোক মারা গেছে সেখানে মসজিদ ছিলো উন্মক্ত। আর মুসলিম অধ‍্যুসিত বাংলাদেশের মসজিদ ছিলো বন্ধ।
বলা বাহুল‍্য সারা ভারত নিয়ে কথা নয় মাত্র দিল্লির পরিসংখ্যান বলা হয়েছে। সে তুলনায় বাংলাদেশের ষোল বা সতের কোটি মানুষের দেশে দৈনিক শতাধিক মানুষ মৃত‍্যুর পরিসংখ্যানে লকডাউন ঘোষনায় দেশ অচল অথচ মানুষের চলাচল ছিলো চোখে পরার মতো। গ্রেফতার হলো দেশ বরেন‍্য আলেম উলামা।
তখন ঠিক পুলিশ প্রহরায় মাদ্রাসা মসজিদ ঘেরাও করে দেশের অকুতোভয় ইসলামী নেতা আলেম সমাজের আশার আলো।
যারা সত‍্যিই বাতিলের আতঙ্ক তাদের উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো রাতের অন্ধকারে।
দেশ বরেন‍্য বক্তা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী সাহেবকে যেদিন গ্রেফতার করা হয় তখন সেহরীর সময়। খালেদ সাইফুল্লাহ সাহেবকে গ্রেফতার করতে যাওয়া পুলিশদের নিয়ে সেহরীর খানা খেয়ে তাদের হাতেই বন্দি হয়ে আসেন।
কিসের নজির এইসব ?
মুসলমানদের জানা থাকে যে আমাদের মাজহাব প্রধান ইমাম আবু হানিফা জালিমের কারাগারে বন্দী অবস্থায় মৃত‍্যু বরন করলেও জালেমদের অপশাসন বা আপোষ সে মেনে নেননি।
আমরা যারা ঈমাননদার মু,মীন তাদের কারা বরন কখনোই শাস্তি নয় বরং আল্লাহর নৈকট‍্য লাভের উত্তম পন্থা বা মাধ‍্যম।
জালেম কখনোই তার পক্ষের কাউকে গ্রেফতার করে না। কারন তার দ্বারা জালেমের কোন ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে না।
যার দ্বারা ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দেয় তখন তাকেই হেনস্তা থেকে শুরু করে জীবন নাশ করতেও দ্বিধা করে না।
যার প্রমান আপাতত রোজিনা আক্তার যেমন যতদিন সে পক্ষে কথা বলেছে ততদিন দেশবাসীর গুটি কয়েক মানুষ তাকে চিনতো। কিন্তু এখন অনেক অনেক মানুষ তাকে চিনে।
যেভাবে হক্কানী আলেমদেরকে সরকার গ্রেফতার করে জনসাধারনকে দেখিয়ে দিলো এরা মুসল্লে-ঈমানের মুসলমানদের জন‍্য নিয়ামত সরুপ হলেও রাষ্ট্রযন্ত্রের জন‍্য বিরাট বড় অন্তরায়।
সুতরাং এরা বাইরে থাকলে সরকারের এবং সরকার পক্ষের আমলা থেকে আলেম সবার জন‍্যই হুমকি। তাই তাদের আর বাইরে রাখা যায় না।

বরাবরের মতো গ্রেফতারের পর জানা গেল মামলার আইন ও ধারা।
সাজানো মামলায় বন্দি করা ওরাছাতুল আম্বিয়া কেরামের ৫% সনাতনী পুলিশ দিয়ে সনাতনী মেজিস্ট্রেটের কাছে রিমান্ড আবেদন হলো মঞ্জুর হলো। চলছে রিমান্ড।
এদেশের কোটি মানুষ যেমন অবগত সাত খুনের আসামি থাকে এসি রুমে।
আর দ্বীনের দায়ীদের চলে মিথ‍্যে মামলায় রিমান্ড।
এত বড় কি দোষ ছিলো মাওলানা ইকবাল হোসেনের তাকে হাসপাতালে মারা যেতে হলো ?
সে গোড়ার কথাই বলবো একদিন নতুন রবির সাথে নতুন শাসক আসবে। সেদিন হতে পারে আজকের মতো দখিনের হাওয়ায় পুষ্প সুবাস বইবে না। বরং উত্তর থেকে ধেয়ে আসা ঘুর্নিঝড়ে ভেঙ্গে যাবে সব আত্মগরিমা সব আত্মঅহংকার।

লেখক-আব্দুল আজিজ

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Amir Hossen
Customized BY NewsTheme