1. webprominhaz@gmail.com : Admin :
  2. Aktar@gmail.com : AKTAR hosen : AKTAR hosen
  3. amirbinsultan95@gmail.com : Amirbin Sultan : Amirbin Sultan
বিজ্ঞপ্তি :
  • পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
শিরোনাম :
কক্সবাজার জেলার কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মনোনীত হলেন পুসাহ’র উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত | দৈনিক জাগ্রত বিবেক ঢাকাস্থ বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির ১ লাখ টাকা অনুদান তাকওয়া ফাউন্ডেশন বরুড়া উপজেলা শাখার লাশ দাফন টিম ২ এর ৩৫ তম গোসল কাফন জানাজা দাফন সম্পন্ন। আত্মপরিচয় ও আমাদের হীনমন্যতা | মুহাম্মদ রমিজ উদ্দীন টর্নেডো ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা ওরাই আপনজন সংগঠন | দৈনিক জাগ্রত বিবেক সমাজ সংস্কার-৩য় পর্ব | আব্দুল আজিজ অপসংস্কৃতি রোধে চাই সম্মিলিত প্রয়াস: মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন | জাগ্রত বিবেক কী পড়বো? তোফায়েল গাজালি | জাগ্রত বিবেক কৃতিত্বের মানদণ্ডে শেখা না কি শেখানো: রমিজ উদ্দিন

রক্তের দাগে ২৬শে মার্চ -আব্দুল আজিজ | দৈনিক জাগ্রত বিবেক

  • আপডেট টাইম : Friday, March 26, 2021
  • 112 বার পড়া হয়েছে

রক্ত দাগের “২৬শে মার্চ
আব্দুল আজিজ

কোন এক সময় পৃথিবীতে বালি ঘঁড়ি ছিলো। তিরতির করে বালু নিচের দিকে ঝড়ে পরতো। তো ঐ অংশটিতে এমন করে দাগ দেয়া থাকতো দেখে যেন সহজে বুঝা যায় সময় কত হয়েছে ।
একটা সময় পরে প্রায় ঘরে ঘরে ঐ বালি ঘড়ির প্রচলন দেখা গেল। কিন্তু ঐ বালি ঘড়ি থেকে যখন মানুষের শূলে চড়ানো শাস্তি আবিস্কার হলো। তখন থেকে আবার মানুষ ভুলে যেতে চাইলো বালি ঘড়ির উপকার।
মনের আঘাত নিয়ে হাজার হাজার কবিতা উপন‍্যাস লেখা হয়েছে। কিন্তু ভিলেন রুপি বাবা মা কি আজো শিখেছে সহজে সন্থানদের প্রেম মেনে নেয়া ? বন্ধ ই হয়েছে আত্মহনন?
বন্ধ হয়নি প্রেম ভালোবাসা, বন্ধ হয়নি হাত ধরে পলায়ন। বন্ধ হয়নি জীবনের কষ্টের ঝুলি।
মানব সমাজে কিছু কিছু ঘটনা বারবার সংঘটিত হয়। বারবার দাগ কেটে যায়। তবে কখনো কখনো কিছু ঘটনা এতো গভীর ক্ষত করে যা কখনোই মিটে যায় না।
পলাশীর যুদ্ধ আর মীর জাফরের ঘটনা এখনো মানুষ ঘৃনা ভরে স্বরন করে।
সিক্কিমের লেন্দুপ দর্জীর ইতিহাস সিক্কিমবাসীর কাছে নরকের উপমা।
বেশি দুরে কেনো যাই আমার সোনার বাংলাতে বঙ্গ বন্ধু হত‍্যার সে কালোরাত সেনা প্রধান কে এম শফিউল্লা আজ দুনিয়াতে নেই তবে বঙ্গ বন্ধুর ফোন পাওয়ার পরও বলেছিলেন সরি স‍্যার আপনি পারলে পেছনের দরজা দিয়ে সরেযান। তাদের কেউ আজ বেঁচে নেই তবে ইতিহাস হয়ে আছে অনেক কথা অনেক গল্প। জাসদ নামক দলের সেদিনের ভূমিকাও মানুষেরা হয়তো ভুলে যায়নি।
সার্কিট হাউজ চট্টগ্রাম মেজর জিয়া আর কর্নেল মঞ্জুরের ঘটনা অনেকেই জানেন। এরপর এরশাদ সাহেব?????
নুর হোসেন আজ নেই আছে তার চত্ত্বর। তবে এরশাদ সাহেব আর নেই। ডাঃ মিলন নুর হোসেন এরা অনেকদিন বেঁচে থাকবেন। তবে এরশাদ সাহেবের নামের আগে আরো একটি উপাধি ” সৈরাচার ”
যা এদেশের মানুষ সহজে ভুলবে বলে মনেহয় না।
মেজর জলিল নিজেই একটি নেতা নিজেই একটি প‍্রতিক।
এ দেশের রাজপথ বহু নিঃসংসতার রাজসাক্ষী। মইন ফখরুর ইতিহাস অনেকেই বেশ ভালো জানেন। তবে আজ তারা বেঁচে থেকেও মৃত। দেশ আছে দেশে আসার মতো মানুষিক শক্তি কেন নেই ?
হারিয়ে ফেলেছেন। জাতী আজ তাদের মীর জাফর বলেই ভালো জানে। আমি জানি না তবে অনেকেই সন্দেহ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অকার্যকর করার মূল টার্গেট পিলখানার ষোল কলার সব যেন ঐ ঘাতক মইনের হাতেই করা। এখন অনুতপ্ত হওয়ার গল্প শুনি।
পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া সব দুর্ঘটনার অনেক অনেক ঘটনার সত‍্য দিনের আলোর মতো পরীস্কার হয়ে গেছে। তবে তার জন‍্য সময় ব‍্যায় হয়েছে।
আজকের সুবর্ন জয়ন্তী আর বাইতুল মোকাররমে লাশ চট্টগ্রামে লাশ ময়মনসিংহে লাশ এদিকে স্বাধিনতার জয়ন্তী আর অন‍্যদিকে তাজা রক্ত। সব কিছুই একটা সময়ের দরকার।

ঢাকা ইউনিভার্সিটির মধুর ক‍্যান্টিন। মধু দাদা কত আগেই গত তবে তার নাম কাজের স্মৃতি আজো স্বরনীয়।
মাস্টার দা সুর্যসেন তাকে কি মানুষ ভুলতে পেরেছে ?

আজকের ঘটনা মন করিয়ে দেয় শাপলা চত্ত্বরের ঘটনা।
শুরুর যেমন একটা শেষ আছে। তবে সে শেষের সাথে একটি প্রষ্ফুটন ও আছে। তবে তা যদি না হয় সুখের স্মৃতিতে গাথা তবে তো ঐ কথায় দাড়াতে হবে
কি জনম গড়িলে
কি মরনে ধরিল?
কি গৌরব করিলে
ধ্বংস টেনে আনিলো।

তবে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করে না। কথাটা নিতান্তই ভুল। কারন ইতিহাসের কাছে ক্ষমা করা না করার কিছু নেই।
কিন্তু ইতিহাস একদিন সময় মত উদ্গিরণের স্বক্ষমতা পায়। সেদিন টাকে সহ‍্য করা সত‍্যি সত‍্যি সত‍্যি বড় কঠিন ব‍্যপার হয়ে দাড়ায়।
তার উপর আবার মুসলমানের রক্ত যে রক্ত হেফাযতের দায়িত্ব সয়ং ঐ মহান আল্লাহর।

আজ একটি অনেক বড় সত‍্য বুঝলাম। মোনাফেক কাফিরদের চেয়ে ভয়ংকর।
কারন কাফির দেখলে সতর্ক থাকা যায়। তবে মোনাফেক দেখে সতর্ক থাকা যায় না।
কারন মোনাফেক মুসলমানের ঘরে জন্ম নেয়।
ইসলামের ঝান্ডা নিয়ে বের হওয়া মুসলিম কখনো খালি হাতে ফিরে না। ফিরলে আল্লাহ্ লজ্জা পান।
তাই প্রতিদান দেন তবে সময় স্ফাপেক্ষে।
আজ এই প্রর্যন্ত ছয়/সাত জন নিহত হওয়ার খবর পেলাম।
আবার আগামীকাল বিক্ষোভ সমাবেশ।
পরেরদিন হরতাল।
এগন যদি কালকের মিছিলে আবার গুলি চলে?
পরশু,র হরতালে যদি জনগন সাড়া দিয়ে বাহির না হয়। তবে তো বেকায়দা হবে কার?
তবে আমি বলবো হুজুরদের দিয়ে হরতাল হবে না। আবার না হওয়ার পিছনে যে হওয়াটাই জরুরি তা কিন্তু এখন দিনের মতো পরিস্কার।
তবে এই নির্যাতনের দাগ-ক্ষততিয়ান কখনো,ই হারিয়ে যাবে না।
সেদিন আল্লাহর আদালতে দাড়িয়ে উত্তর দিতে পারবেন ?
কেন হত‍্যা করেছিলেন ?
যদি বলেন সে পরে ।
তবে আজকের কথা এই রক্তের বিনিময় কি দিয়ে করবেন ?
এখন তো সে কথা মনে করিয়ে দেয়।
রোম যখনপুরছিলো।
নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছিলো।

আজকের নিরো কি এ দেশের ইতিহাস ভুলেগেছে ?
“৫২ শালকে কেউ ভুলতে পারবে।
“৬৯ দেখেছে এদেশের মানুষ।
দেখেছে “৭০ দেখেছে”৭১
দেখেছে “৯১
। কাকে কিসের ভয় দেখান ?
এটা মুসলমানদের দেশ। জনগণকে রাজ-পথে আমন্ত্রন করবেন না।
হারিয়ে যাবেন,অদৃশ‍্য হয়ে যাবেন।
টের-ও পাবেন না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Amir Hossen
Customized BY NewsTheme