1. webprominhaz@gmail.com : Admin :
  2. Aktar@gmail.com : AKTAR hosen : AKTAR hosen
  3. amirbinsultan95@gmail.com : Amirbin Sultan : Amirbin Sultan
বিজ্ঞপ্তি :
  • পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
শিরোনাম :
কক্সবাজার জেলার কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মনোনীত হলেন পুসাহ’র উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত | দৈনিক জাগ্রত বিবেক ঢাকাস্থ বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির ১ লাখ টাকা অনুদান তাকওয়া ফাউন্ডেশন বরুড়া উপজেলা শাখার লাশ দাফন টিম ২ এর ৩৫ তম গোসল কাফন জানাজা দাফন সম্পন্ন। আত্মপরিচয় ও আমাদের হীনমন্যতা | মুহাম্মদ রমিজ উদ্দীন টর্নেডো ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা ওরাই আপনজন সংগঠন | দৈনিক জাগ্রত বিবেক সমাজ সংস্কার-৩য় পর্ব | আব্দুল আজিজ অপসংস্কৃতি রোধে চাই সম্মিলিত প্রয়াস: মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন | জাগ্রত বিবেক কী পড়বো? তোফায়েল গাজালি | জাগ্রত বিবেক কৃতিত্বের মানদণ্ডে শেখা না কি শেখানো: রমিজ উদ্দিন

পর্যটকদের চোখে পদ্মা সেতু | দৈনিক জাগ্রত বিবেক

  • আপডেট টাইম : Sunday, February 28, 2021
  • 126 বার পড়া হয়েছে

পদ্মা সেতু কেন্দ্রীক ভ্রমণ
আব্দুল আজিজ

দেশের দক্ষিণ অঞ্চল বা দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল বলতে চর মোন্তাজ থেকে বেনাপোলের কম ধরলে আর নামের সুবিচার হবে না।
দেশের পূর্বদিক বা উত্তর পূর্বদিক থেকে দক্ষিণের ঐ অঞ্চল গুলোতে মহাসড়ক দিয়ে যেতে হলে সবচেয়ে ভালো রুট হলো পদ্মা নদীর মাওয়ার শিমুলিয়া ঘাট থেকে কাঁঠাল বাড়ী ঘাট হয়ে যাওয়া।
আপাতত এই রুট দিয়ে যাওয়া আসা করলে দেখে থাকবেন দেশবাসীর স্বপ্নের দৃশ‍্যামান পদ্মা সেতু। যদিও শুরু হতে ইতি মধ‍্যে আরো দুই বছরর সময় বৃদ্ধির আলোচনা চলছে।
তবে এই পদ্মার বুক চিরে তৈরি হওয়া পদ্মা সেতু নিয়ে যেন কৌতুহলের শেষ নেই।
কতটুকু লম্বা?দেখতে কেমন? কতটুকু উচু?
সোজা না বাঁকা ? সংযোগস্থল কেমন? ইত‍্যাদি ইত‍্যাদি।
গেল কয়েক মাস থেকে স্প‍্যান বসানো শেষ হওয়ার পর থেকেই ধিরে ধিরে অনেক দূর দুরান্ত থেকে লোকজন আসতে শুরু করেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুটি এক নজর দেখার জন‍্য।

যদিও এখনি দেখে তৃপ্তি পাওয়ার কিছু নেই। কারন এখনও দূর থেকে দেখা ছাড়া কোনও উপায় নেই।
তবে হ‍্যাঁ যদি নৌপথে ভ্রমনে যাওয়া যায় তাহলেই কেবল পদ্মা সেতুর নিচের অংশের একদম কাছাকাছি যাওয়া যায়।
ইচ্ছে করলে ছুঁয়ে দেখতে পারা যায় ভয় ক জয় করে তৈরী হওয়া বিশাল বিশাল পিলার। যদিও বিশাল পিলার পর্যটকদের জন‍্য বিশাল নয়। কারন তারা তো আর শতফুট গভীরে প্রবেশ করে বিশালতা দেখতে পারবে না। কিন্ত অন্তত হাতে ছুঁয়ে কল্পনা তো করা যাবে ফুট লম্বা পিলার যার উপর দাড়িয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতু।
এক সময় শুনেছি পিলার অতল গহ্বরে হারিয়ে গেছে। যে সব কথা এখন অতীত।

যদিও মূল সৌন্দর্যের অনুভূতি একমাত্র সেতুর উপর থেকে জলের পানে তাকিয়ে দেখা।
উপর থেকে জলের মধ‍্যে নিজের ছবি বা প্রতিবিম্ব দেখার আনন্দের সাথে এই জল ভ্রমনে সেতু দেখার স্বাদ সম্পূর্ণই ভিন্ন অনূভুতি।
তবুও এখন প্রতিদিন যা ঘটছে এখানে তা সত‍্যিই এলাকাবাসীকে নতুন অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে।
সে কত দূরের কথা বলবো ?
কেমন যেন একমাত্র পদ্মাসেতুকে কেন্দ্র করে সারাদেশের মানুষ এখন পা ধুঁয়ে যাচ্ছে এই কাঁঠালবাড়ি পূরাতন ফেরিঘাটৈর জলে।
যে যায়গা দেখলে যদি সে আগে না দেখে থাকে তবে তাকে একমাত্র কল্পনা করে বুঝতে হবে যে এখানে এক সময় লঞ্চ ঘাট ছিলো যে ঘাটে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করতো।

বা এখানে ফেরিঘাট ছিলো। যেসব ঘাটের নিকটবর্তী পার্কিংয়ের ইয়ার্ড ছিলো। যেখানে গাড়ি চাপ বেড়ে গেলে শত শত গাড়ি জমা হয়ে থাকতো। ঐ সবই এখন স্মৃতি।
তবে যারা ঢাকার দিক থেকে ফেরিকরে আসবেন তারা নতুন ঘাটটি ভালো করে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন। কারন নতুন ঘাটটি প্রায় হুবহু পূরাতন ঘাটের অবয়বে।

তবে এখানে এখনো রাত্রী যাপনের তেমন কোন স্পট তৈরি হয়নি।
এ ছাড়া এখানে কোনকিছুর-ই কোন কমতি নেই।
যারা পিঁকনিকের চিন্তা করে আসতে চান চলে আসুন। পর্যটন এই ঘাটের নিকটেই রয়েছে ডেকরেটর দোকান। ভাড়া করতে পারবেন টেবিল চেয়ার। বাজার সদাইয়ের কোন টেনশন নিতে হবে না এক কিলোমিটারের কম দূরত্বে রয়েছে বাংলা বাজার নামের এক বিশাল বাজার সেখানে দুপুর অবধি পাবেন সব ধরনের কাঁচা বাজার। হয়তো দুপুরে গরুর গোস্ত খাশির গোস্ত পাবেন না। তবে পল্ট্রি কক সোনালী দেশি মোড়গ মুরগী যেমন মজুদকৃত অঢেল পাবেন।
ঘাটেই রয়েছে বেশ কিছু চায়ের দোকান। তবে মোঃ ইউনুছ ফকির ভাইর দুধ চা যেন দ্বিতীয় বার খেতে মন চাওয়ার মতো।

পাবেন হকারদের বিক্রি করা ঝালমুড়ি ঝাল চানাচুর বাদাম কিছু খেলনার দোকানও বসেছে ইদানীং।
সব মিলিয়ে ভালোলাগার মতো একটি যায়গা।

আগেই বলেছি গাড়ি পার্কিংয়ের যায়গার কমতি নেই। নেই রান্না করার যায়গার অভাব।
তবে রোদ হবে প্রচুর এ জন‍্য পর্যটকদের উচিত হবে সামিয়ানার ব‍্যবস্থা করা।
কারন নদীর পারের পরিত‍্যাক্ত ফেরিঘাটে বেরিবাঁধ বা নদী শাসন যাই বলি ঐ সব কাজ শুরু হওয়া বাকি অংশে এই পর্যটন কেন্দ্র তো কোনভাবেই এখানে গাছপালা আছে এমন আশা করবেন না।
তবে কাছাকাছি কয়েকটি পাকা মসজিদ আছে। যেখানে নামাজের সুব‍্যবস্থা আছে।

এখানে গাড়ি বলতে এক্সপ্রেস বাস। বাস মিনিবাস মাইক্রো গাড়ি যা নিয়েই আসেন না কেনো , এখানে গাড়ি রেখে নৌযান তথা ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে করেই আপনাকে স্বপ্ন পূরনের পদ্মাসেতু দেখতে যেতে হবে।
প্রথম দিকে যখন লোকজন কম ছিলো তখন জেলা প্রশাসনের উদ‍্যোগ স্থানীয় জেলে ভাইদের বেকারত্ব ঘোচাতে
“জেলা প্রশাসনের উদ্ভাবন


জেলে নৌকায় পর্যটন ”
এই প্রতিপাদ‍্য সামনে নিয়ে শুরু হয়েছিলো পর্যটন নৌভ্রমনের মাধ‍্যমে পদ্মা সেতু দেখা।
তখনকার নোযান গুলি নতুন করে সাজানো হয়েছিলো লাল সবুজের পতাকার রং দিয়ে। ট্রলারে দেয়া হয়েছিলো রৌদ্দুরে ছাঁয়াদেয়ার জন‍্য ছাদ।

যে ট্রলার গুলি এখনো আছে।
তবে পর্যটকের চাপে ট্রলার বাড়ানো হয়েছে। যার জন‍্য যত বড় ফিগারের পর্যটকই আসুক না কেন, ট্রলার কম পরবে না।

ট্রলার ভাড়া করার বেশ সুবিধা। যদি সংখ‍্যায় কম হয় তবে ছোট ট্রলারে একক ভ্রমন। অথবা অন‍্য পর্যটকদের সাথে মিশে যৌথ ভ্রমন।
লোক সংখ‍্যা বেশি হলে বড় ট্রলার রয়েছে ভ্রমনের জন‍্য।
যান বাহনের আপদকালীন কমতি নেই।
তবে তার জন‍্য আপনাকে গুনতে হব টাকা।
তবে দরদাম কষেই ভ্রমনে বের হওয়া উচিত হবে।
দেশের দূর প্রান্ত থেকে এলে রাতে রওয়ানা দিন।
সকালে যেন পৌছাতে পারেন। নাস্তা পানি শেষে ঘুরতে বেড়িয়ে গেলেন। দুপুরের মধ‍্যে ঘোরাফেরা শেষ করে মধ‍্যাহ্ন ভোজের রান্নার আয়োজন করলেন। কেহ পদ্মায় মন ভরে সাতার কেটে স্নান সারলেন নামাজ শেষে খাওয়া দাওয়া শেষ করে। গন্তব‍্যে রওয়ানা দিলেন, হয়েগেল ভ্রমন।

এখানে এখন শুধু ভ্রমন নয় শিক্ষা সফরের বাস বা ছাত্র-ছাত্রী বহন করা গাড়ি যেন আসছে প্রায় প্রতিদিন। পিঁকনিক আয়োজন হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। তাও বেশ ঘটা করে।

পদ্মার দক্ষিন পারের মতোই উত্তর পূর্ব পার শিমুলিয়া থেকেও পদ্মা সেতু ভ্রমনে আসতে পারবেন
তবে দেখা বাকী থাকবে সেতুর সংযোগ সড়ক পাশে টোল প্লাজা। এবং দক্ষিন অংশ দিয়ে সেতুতে ট্রেন প্রবেশের উড়াল সেতু সংযোগের রেল সড়ক।
সব মিলিয়ে একটি ভালো সময় কাটানোর জন‍্য চলে আসতে পারেন স্বপ্নের পদ্মা সেতু ভ্রমণে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Amir Hossen
Customized BY NewsTheme